Tuesday, 27 October 2015

যে আটটি জিনিস মেয়েরা চায়

02:20 Posted by Mark Andrew Wilson No comments
নারী-পুরুষের সম্পর্কে চাওয়া-পাওয়া খুবই স্বাভাবিক। সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রত্যাশা তৈরি হবেই। সব প্রত্যাশা যে পূরণ করতে হয় বা পূরণ হয় বিষয়টি আবার তেমন নয়। তবু মানুষ প্রিয়জনের কাছেই আশা করে। মেয়েরা ছেলেদের কাছ থেকে অনেক কিছুই আশা করে। কিন্তু আফসোস, ছেলেরা এই আশা পূরণ করা তো দূরের কথা, বোঝারও চেষ্টা করে না!

টাইমস অব ইন্ডিয়ায় ছেলেদের প্রতি মেয়েদের কিছু প্রত্যাশার কথা তুলে ধরা হয়েছে। চলুন, একনজরে জেনে নিই মেয়েদের কোন আশাগুলো ছেলেদের পূরণ করা উচিত।
  • মেয়েরা উপহার পেতে খুবই পছন্দ করে। আপনার কাছ থেকে ফুল, চকলেট, কার্ড মেয়েরা আশা করতেই পারে। এমনকি মেসেজ, ফোন করা, কোথাও বেড়াতে নিয়ে গেলে মেয়েরা অনেক খুশি হয়। মেয়েদের এতটুকু আশা ছেলেরা পূরণ করতেই পারে।
  • মেয়েরা ছেলেদের কাছ থেকে নিরাপত্তার অনুভূতি চায়। তারা চায় ছেলেরা তাদের পরিবারের সঙ্গে তাকে পরিচয় করিয়ে দিক। এতে একজন মেয়ে নিজের সম্পর্কের ভিত্তিকে অনেকটা শক্ত মনে করে।
  • মেয়েরা চায় না প্রতি মুহূর্তেই আপনি তাকে সুন্দর বলেন। কিন্তু কিছু বিশেষ মুহূর্তে আপনার প্রশংসা তো আপনার সঙ্গী আশা করতেই পারেন।
  • মেয়েরা কথা বলতে ভালোবাসে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, তারা চায় সব সময়ই আপনি তার কথা শুনুন। তারা চায় যখন আপনি তার কথা শুনবেন, তখন মন দিয়েই শোনার চেষ্টা করবেন। তার কথাটিকে গুরুত্ব দেবেন।
  • মেয়েরা চায় আপনি সবগুলো বিশেষ দিনের তারিখ মনে রাখুন। এই বিশেষ দিনগুলো নিজেদের মতো করে উৎযাপন করুন। অথচ ছেলেরা তাদের এই প্রত্যাশাকে সব সময়ই হেলাফেলা করে এবং ভুলেও যায়।
  • মেয়েরা কোন পোশাকটি পরবে এটি তাদের ওপরই ছেড়ে দেওয়া উচিত। কোনো পোশাক পরার পর যদি অন্য ছেলেরা তার দিকে তাকিয়ে থাকে, তাহলে মেয়েদের কী দোষ? বাইরে লোকজন তাকাবে বলে সে তার নিজের ইচ্ছেমতো পোশাকও পরতে পারবে না? মেয়েরা চায়, ছেলেরা তাদের পোশাক পরা নিয়ে কিছু না বলুক।
  • মেয়েদের অপেক্ষা করতে একদমই ভালো লাগে না। আপনি সময়মতো আসবেন এটা মেয়েরা আশা করতেই পারে। তাই অযথা মেয়েদের কোথাও অপেক্ষা করাবেন না।
  • সুযোগ পেলেই প্রেমিকাকে কোথাও খেতে নিয়ে যান। মেয়েরা বাইরে খেতে ভীষণ পছন্দ করে। তাদের এই আশা আপনি চাইলেই পূরণ করতে পারেন।

বিয়ের পর ছেলেরা যেসব অভ্যাস ত্যাগ করে

02:19 Posted by Mark Andrew Wilson No comments
ব্যাচেলর ছেলেদের অনেক অভ্যাসই আছে, যেগুলোর মধ্যে অধিকাংশই বদ অভ্যাস। আর এসব বদ অভ্যাস ছাড়াতে ছেলের পরিবার প্রথমেই বিয়ের কথা ভাবে। তাদের ধারণা, বিয়ে করলেই ছেলে ঠিক হয়ে যাবে। মজার বিষয় হলো, তাদের ধারণাটি একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। কারণ অনেক ছেলেই আছে যাদের বিয়ের পর বদ অভ্যাসগুলো বদলে যায়।  

বিয়ের পর ছেলেদের কোন বদ অভ্যাসগুলো বদলে যায় সে সম্বন্ধে লাইফস্টাইল বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ে কিছু দিক তুলে ধরা হয়েছে। একনজরে দেখে নিন বিয়ের কারণে ছেলেরা কোন অভ্যাসগুলো ত্যাগ করে :
  • অনেক ছেলে আছে যারা বিয়ের পর সিগারেটের অভ্যাস ত্যাগ করে। একেবারে অনিচ্ছায় তাদের এই অভ্যাস বদলে ফেলে। শুধু স্ত্রীর কারণে তারা সিগারেট ছাড়তে বাধ্য হয়।
  • অনেকেই বিয়ের আগে মেয়েদের সঙ্গে প্রতারণা করে থাকে। এটি খুবই বাজে একটি অভ্যাস, যা বিয়ের পর বদলে যায়। বেশির ভাগ ছেলেই স্ত্রীর কারণে এই অভ্যাস ত্যাগ করে। তবে দু-একজন ব্যতিক্রম হতে পারে।
  • বিয়ের আগে ছেলেদের টুকটাক অ্যালকোহল খাওয়ার অভ্যাস থাকে। কিন্তু বিয়ের পর না চাইলেও তারা এই অভ্যাসটি ছাড়তে বাধ্য হয়। আর যাঁরা ছাড়তে পারেন না, তাদের বিবাহিত জীবন কখনো সুখকর হয় না।
  • বিয়ের আগে ছেলেরা রাত জেগে পার্টি করে। অথচ বিয়ের পর বিষয়টি একেবারেই উল্টো হয়। রাত জেগে পার্টি তো দূরের কথা, অফিস শেষে সোজ বাসায় ফিরে আসে তারা। এটি বিয়ের কারণেই সম্ভব হয়।
  • বিয়ের পর নিজেদের কেনাকাটার পরিমাণ কমিয়ে দেয় ছেলেরা। আগে হুটহাট করেই অনেক টাকার শপিং করে ফেলত। আর বিয়ের পর নিজের জন্য কেনাকাটা তো দূরের কথা, পরিবারের জন্য তার সব ধরনের ব্যয় নির্ধারণ করা থাকে।
  • অনেক ছেলেই বিয়ের আগে বাচ্চা পছন্দ করে না। ঝামেলা মনে করে। কিন্তু বিয়ের পর তারা একেবারেই বদলে যায়। বাচ্চাদের প্রতি সে আরো বেশি দুর্বল হয়ে পড়ে।
  • বেশি সময় অফিসে থাকা অনেক অবিবাহিতরই অভ্যাস। অথচ এই মানুষটিই বিয়ের পর একেবারেই উল্টো। পারলে অফিস শেষ হওয়ার আগেই সে বাসায় ফেরার জন্য ব্যস্ত হয়ে যায়।

বন্ধুর প্রেমে পড়লে কী করবেন?

02:16 Posted by Mark Andrew Wilson No comments
কী করবেন যখন বন্ধুর প্রেমে পড়বেন? কীভাবে সেই পরিস্থিতি সামলাবেন? আপনি কি আপনার অনুভূতি তাঁর কাছে প্রকাশ করবেন, না লুকিয়ে রাখবেন? বন্ধুর প্রেমে পড়া কি খারাপ কোনো বিষয়? এমন হাজারটা প্রশ্ন আপনার মাথায় ঘুরবে, যখন আপনি আপনার কোনো কাছের বন্ধুর প্রেমে পড়বেন!

বন্ধুর প্রেমে পড়া আসলে কোনো অপরাধ নয়। তাই অযথা অনুতপ্ত হওয়ার দরকার নেই। আর আপনার বন্ধু যদি বিষয়টি বুঝতে পারে এবং এ বিষয়ে তাঁর সম্মতি থাকে, তাহলে তো আর কথাই নেই। দেখবেন, জীবনটা অনেক বেশি সুন্দর হয়ে যাবে। কারণ, দাম্পত্য জীবনে সুখের মূল চাবিকাঠি হলো বন্ধুত্ব। আগে থেকেই ভালো বন্ধু থাকলে বিয়ের পর বন্ধুত্বটা আরো বেশি গভীর হয়।

এটা খুবই স্বাভাবিক যে কাছাকাছি থাকলে এবং একজন আরেকজনের ভালো-মন্দ বুঝতে পারলে সম্পর্কটা বেশ স্বচ্ছ থাকে। আর বন্ধুর থেকে ভালো কে বেশি আপনাকে চেনে বলুন? তাই বন্ধুর প্রেমে পড়লে সংকোচের কোনো কারণ নেই।

বন্ধুর প্রেমে পড়লে কী করবেন, সে সম্বন্ধে লাইফস্টাইল-বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই দিয়েছে কিছু পরামর্শ :
  • আপনি হয়তো বন্ধু হিসেবে তাঁকে খুব ভালো করে চেনেন। কিন্তু মানুষ হিসেবে কেমন, সেটি আগে চিন্তা করুন। নিজের অনুভূতি প্রকাশ করার আগে তাঁর সম্বন্ধে পুরোপুরি জানার চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন, ভালো বন্ধু হলেই সে যে ভালো মানুষ হবে, এমনটা ভাবার কোনো মানে নেই।
  • নিজের অনুভূতি প্রকাশ করার জন্য মনে সাহস রাখুন। বন্ধুকে হুট করেই যেমন সবকিছু বলা যায়, সেই একই বন্ধুকে ভালোবাসার কথা সহজে বলতে পারবেন না। সংকোচ কাজ করবে। তাই সাহস জুগিয়ে মনের কথা বলার চেষ্টা করুন।
  • সৎ থাকার চেষ্টা করুন এবং যা বলার সরাসরি বলুন। এসব বিষয়ে লুকিয়ে লাভ নেই। কারণ, যেহেতু সে আপনার বন্ধু, সেহেতু আপনাদের দুজনকে কাছাকাছি থাকতেই হবে। তাই যতটা সম্ভব দ্রুত বলে ফেলার চেষ্টা করুন।
  • যখন নিজের মনের কথা তাঁকে খুলে বলবেন, তখন মন থেকে বলার চেষ্টা করুন, যাতে আপনার বন্ধু কথাটি হেলাফেলায় উড়িয়ে না দেয়। আপনি যেমনটা ভাবছেন, তিনি হয়তো এমনটা ভাবছেন না। তাই এমনভাবে কথাগুলো বলার চেষ্টা করুন, যাতে তিনি আপনার কথা ভাবতে বাধ্য হন।
  • যদি তিনি আপনাকে না বলে দেন, তাহলে খুব বেশি প্রতিক্রিয়া দেখাবেন না। তিনি আপনাকে না বলতেই পারেন। তাঁরও পছন্দ-অপছন্দ থাকতে পারে। ভালোবাসার জন্য সারা জীবনের বন্ধুত্বটাকে নষ্ট করবেন না।
  • ভবিষ্যতের কথা ভাবুন। যদি তিনি আপনাকে হ্যাঁ বলেন, তাহলে একসঙ্গে কীভাবে জীবন কাটাবেন, সে কথা ভাবুন। আর যদি তিনি না বলেন, তাহলে বিষয়টি কীভাবে ভুলবেন, সেটা নিয়ে চিন্তা করুন। আবার এমনটাও হতে পারে, আপনার মনের কথা জানার পর তিনি আর আপনার সঙ্গে যোগাযোগ রাখলেন না। তাই সব পরিস্থিতিই সামলানোর চেষ্টা আপনাকেই করতে হবে।

যে আটটি কথা মেয়েরা শুনতে চায়

02:07 Posted by Mark Andrew Wilson No comments
মেয়েরা ছেলেদের কাছ থেকে অনেক কিছুই শুনতে চায়। কিন্তু ছেলেরা এই বিষয়ে একেবারেই বুঝতে চায় না। বলতে গেলে, তারা এসব ছোট ছোট কথাকে তেমন একটা পাত্তাও দেয় না। অথচ এই বিষয়গুলোই তাদের সম্পর্ককে আরো মজবুত করে।

ছেলেদের কোন কথাগুলো শুনলে মেয়েরা খুশি হয় সে সম্বন্ধে জীবনধারা বিষয়ক বোলল্ডস্কাই ওয়েবসাইটে কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জেনে নিন, কোন কথাগুলো আপনার প্রেমিকা/স্ত্রীকে বেশি খুশি করে।

তোমাকে পেয়ে আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি
আপনি যদি কোনো মেয়েকে বলেন যে, সে আপনার জীবনে আছে এজন্য নিজেকে অনেক ভাগ্যবান মনে করছেন। এটা শোনার পর মেয়েটি নতুন করে আবারও আপনার প্রেমে পড়বে। আপনার জীবনে তার গুরুত্ব কতটুকু এটা জানা তার জন্য খুবই জরুরি। আপনি তাকে ছাড়া থাকতে পারবেন না, এই অনুভূতিই আপনাদের সম্পর্ককে আরো মজবুত করবে।
আমার জীবনে তুমিই একমাত্র মেয়ে
প্রত্যেকটি মেয়েই এই কথা ছেলেদের কাছ থেকে শুনতে চায়। কেউ শুধু বলার জন্য বলে আবার কেউ সত্যিকার অর্থেই বলে। কিন্তু এই কথা শোনার পর মেয়েরা নিজেকে অনেক বেশি ‘বিশেষ’ মনে করে। এর ফলে সে সম্পর্কে আরো বেশি জড়িয়ে পড়ে। 
আমি তোমাকে ভালোবাসি
এই তিনটি শব্দের মূল্য অনেক বেশি মেয়েদের কাছে। আপনি যতবার এই কথা বলবেন মেয়েরা তত বেশিবার আপনার প্রেমে পড়বে। আর রাগের মুহূর্ত হোক কিংবা বিপদের সময় হোক- এই একটি কথাই মেয়েদের মুখে হাসি আনতে যথেষ্ট। 
চলো শপিংয়ে যাই
এই কথা খুব কম মেয়েদেরই শোনার ভাগ্য হয়। অথচ আপনি চাইলে এই এক কথা দিয়েই আপনার প্রেমিকা বা স্ত্রীকে খুশি করতে পারেন। তাই মাঝেমধ্যে এমন কথা বলে তাদের খুশি করার চেষ্টা করুন। দেখবেন, আপনাদের সম্পর্ক কতটা মধুর হয়।  
তুমিই আমার খুব ভালো বন্ধু
একটি মেয়ে সবসময় চায় আপনি তাকে সবচেয়ে ভালো বন্ধু মনে করেন। আপনাদের মনেরও যেন মিল থাকে। যাতে দুজন দুজনকে সব ধরনের কথা বলতে পারেন। ভালো বন্ধু না হলে মনের মধ্যে সংকোচ থেকেই যাবে। এর ফলে সম্পর্ক একটি গণ্ডির মধ্যেই থেকে যাবে।
তোমার কাছে কী মনে হয়?
মেয়েরা সবসময় চায় ছেলেরা সব কাজ করার আগে তাকে বলে করুক। এমন না যে তার অনুমতি নিতে হবে। কিন্তু তার সঙ্গে ভাগাভাগি তো করা যায়। তাই অযথা প্রেমিকা বা স্ত্রীর কাছে না লুকিয়ে তাকে বলেই করার চেষ্টা করুন। এতে সম্পর্কের মধ্যে স্বচ্ছতা থাকবে।
তোমাকে খুবই সুন্দর লাগছে
মেয়েরা ছেলেদের কাছ থেকে প্রশংসা শুনতে খুবই পছন্দ করে। আর তার সাজগোজ বেশির ভাগই ছেলেদের জন্য হয়ে থাকে। তাই যখন আপনি তার একটু প্রসংশা করবেন সে ভীষণ খুশি হবে। আপনার কাছ থেকে এতটুকু আনন্দ তো সে চাইতেই পারে। 
তুমি খুব ভালো মা হতে পারবে
তোমার মধ্যে ভালো মায়ের সব গুণ আছে। এই কথা শুনলে মেয়েরা নিজেকে পরিপূর্ণ মনে করে। নিজের সঙ্গীর কাছ থেকে এমন কথা শোনার মানে হলো আপনাকে সে অনেকটা শ্রদ্ধা করে। আর এই শ্রদ্ধাবোধ আপানদের সম্পর্কে বিশ্বাস টিকিয়ে রাখবে।

যে পাঁচ কারণে ভালো ছেলেরা প্রেমে প্রতারিত হয়

02:05 Posted by Mark Andrew Wilson No comments
আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন, কেন ভালো ছেলেরা সব সময় প্রেমে প্রতারিত হয়? কেনই বা প্রেমিকারা তাদের ছেড়ে চলে যায়? অনেক ছেলেই প্রেমের সম্পর্কে মেয়েদের দ্বারা প্রতারণার শিকার হয়।  কেন ভালো ছেলেদের প্রেমের সম্পর্ক বেশিদিন টেকে না, তার কয়েকটি কারণ তুলে ধরেছে লাইফস্টাইল-বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই। জেনে নিন, কেন ভালো মনের ছেলেরা প্রেমে প্রতারিত হয়।

•    কোনো ছেলেই প্রতারিত হতে চায় না। যে মেয়েরা অতীতে কোনো ছেলের সঙ্গে প্রতারণা করেছে, সে ভবিষ্যতেও অন্য ছেলের সঙ্গে একই কাজ করবে। এ কারণে সম্পর্কে বিশ্বাসের অনেক ঘাটতি থাকে। আর মেয়েদের এমন মনমানসিকতার কারণেই ভালো ছেলেরা প্রেমে প্রতারিত হয়।
•    এই পৃথিবীতে কেউ কারো আয়ত্তে থাকতে চায় না। ভালোবাসার সম্পর্কে ছেলেদের ওপর মেয়েদের খবরদারির বিষয়টি সব ছেলে মানতে পারে না। এটা তাদের ব্যক্তিত্বে আঘাত করে। যখনই তারা মেয়েদের ইচ্ছার বাইরে কিছু করে, তখনই তাদের প্রেমে ফাটল ধরে। এবং একপর্যায়ে এসে সেই প্রেম আর টেকে না।
•    কিছু মেয়ে আছে, যারা সম্পর্কের প্রতিটি বিষয়ে নিজেকে জাহির করার চেষ্টা করে। এসব মেয়ে নিজেরাই সম্পর্কে সীমাবদ্ধতা তৈরি করে। আর ভালো মনমানসিকতার ছেলেরা এই সীমাবদ্ধতার জালে জড়িয়ে থাকতে চায় না। তখনই শুরু হয় সম্পর্কে টানাপড়েন।
•    কোনো মেয়েই তার ওপর নির্ভরশীল ছেলেদের পছন্দ করে না। প্রেমের সম্পর্কে জড়ানোর পর যখন কোনো মেয়ে জানতে পারে, ছেলেটি পুরোপুরিই তার ওপর নির্ভরশীল, তখনই সে তাকে এড়িয়ে চলতে শুরু করে। এর পর সেই সম্পর্কে ধীরে ধীরে ফাটল ধরে। একটা সময় মেয়েটি তাকে ছেড়ে চলে যায়।
•    যেসব মেয়ে নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত থাকে, তারা তাদের প্রেমিকদের অনুভূতি পরোয়া করে না। এমনকি ছেলেটি কোন বিষয়ে কষ্ট পাচ্ছে, কোনটি করার ইচ্ছা তার নেই, সেগুলো মোটেই পাত্তা দেয় না। সে থাকুক বা না থাকুক, তাতে মেয়েটির কিছুই আসে-যায় না। আর সচরাচর এসব মেয়ের কাছ থেকেই ভালো ছেলেরা প্রতারিত হয়।

ব্রেকআপের পর মেয়েরা যে আটটি কাজ করে

02:02 Posted by Mark Andrew Wilson No comments
ব্রেকআপের কষ্ট একেক জনের ক্ষেত্রে একেক রকম। ছেলেদের আর মেয়েদের অনুভূতির মধ্যে পার্থক্য অনেক। তাই ব্রেকআপের পর দুজনের কষ্ট পাওয়ার ধরনও অনেক আলাদা। তবে ব্রেকআপের পর মেয়েরা কিছু অদ্ভুত কাজও করে। লাইফস্টাইল বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই জানিয়েছে, প্রেমের বিচ্ছেদের পর মেয়েরা সাধারণত কী কী কাজ করে। দেখুন তো, আপনিও এমনটি করেছেন কি না-
  • ব্রেকআপের পর মেয়েরা স্যোসাল মিডিয়ায় সাবেক প্রেমিককে খুঁজে বেড়ায়। প্রেমিকের ছবি দেখা, তার প্রতি মুহূর্তের খবর জানার জন্য দিনে একবার হলেও স্যোসাল মিডিয়াতে মেয়েরা ঢু মারে। তবে সে খুবই কষ্ট পায় যখন দেখে তার প্রেমিক নতুন প্রেমিকার ছবি পোস্ট করে। কী দরকার এভাবে অযথা নিজের কষ্ট বাড়ানোর। তাই সাবেক প্রেমিককে নিজের নেটওয়ার্ক থেকে মুছে ফেলুন। যাতে তার সাম্প্রতিক কার্যক্রম আপনার চোখে না পড়ে। তাহলেই আপনি আপনার ব্রেকআপের কষ্ট ভুলতে পারবেন।
  • ব্রেকআপের পর মেয়েরা চায়, সাবেক প্রেমিক তার বন্ধু হয়ে থাকুক। কিন্তু এটি মোটেই ভালো সিদ্ধান্ত না। সব সময় মনে রাখবেন, ব্রেকআপের পর সেই সম্পর্কটি আর আর আগের মতো থাকে না। বিচ্ছেদের পর এভাবে জোর করে একটা সম্পর্ককে চিরকাল বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব নয়। তাই যতটা সম্ভব সাবেক প্রেমিককে এড়িয়ে চলুন।
  • ব্রেকআপের পর মেয়েরা তাদের প্রেমের সময়কার ছবি ও ফোনে রাখা পুরনো ম্যাসেজ বারবার দেখে। এগুলো একটা সময় তাকে অনেক আনন্দ দিত। যখন তাদের সম্পর্ক ভালো ছিল। কিন্তু এই একই জিনিস বিচ্ছেদের পর গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়ায়। তবুও মেয়েরা এগুলো খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখার চেষ্টা করে। কী লাভ এসব করে বলুন? পুরনো স্মৃতি শুধুই আপনার কষ্ট বাড়াবে। তাই এসব জিনিস আকড়ে ধরে রাখবেন না। সবকিছু পিছনে ফেলে নিজের কথা ভাবুন। 
  • অনেক মেয়েই ব্রেকআপের পর খুবই তাড়াতাড়ি নতুন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। কারণ তারা একা থাকার কষ্ট সহ্য করতে পারে না। তাই না বুঝেই নতুন সম্পর্ককে বেছে নেয় সে। কিন্তু পুরনো প্রেমকে ভুলতে নতুন প্রেমে পড়তে হবে এমন কোনো নিয়ম নেই। সবকিছু সময়ের ব্যাপার। একবার বিচ্ছেদের পর বুঝেশুনেই নতুন সম্পর্কে জড়ানো উচিত।
  • ব্রেকআপের পর কিছু কিছু মেয়ে সবার কাছে তাদের প্রেমিকের বদনাম করে বেড়ায়। সাবেক প্রেমিককে কষ্ট দেওয়ার জন্য প্রেমিকের কাছের মানুষদের এমন সব কথা বলে যা বলার কোনো প্রয়োজন নেই। এর ফলে একটা সময় দুজন দুজনের শত্রুতে পরিণত হয়। বিচ্ছেদের পর অযথা প্রেমিকের বদনাম করে সময় নষ্ট না করে নিজেকে সময় দিন, নিজের ভালোর কথা ভাবুন।
  • ব্রেকআপের পর মেয়েরা যখন নতুন কাউকে খোঁজে তখন তার মাঝে সাবেক প্রেমিকের গুণাগুণ খুঁজে বেড়ায়। এই ভুলটা প্রায় সব মেয়েই করে থাকে। সব সময় মনে রাখবেন, পৃথিবীতে প্রত্যেকটি মানুষ আলাদা। তাদের গুণ, চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যও আলাদা। সবাইকে এক ভাবার কোনো কারণ নেই। তাই অন্যের মাঝে নিজের সাবেক প্রেমিককে খুঁজে বেড়ানোর মতো বোকামি আর কিছুই হতে পারে না। এতে আপনি কখনোই সাবেক প্রেমিককে ভুলতে পারবেন না। 
  • অনেকেই ব্রেকআপের পর স্যোসাল মিডিয়ায় বারবার নিজের কষ্টের কথা পোস্ট করেন। তিনি ভুলেই যান যে, এ ধরনের কাজ করে তিনি অন্যের কাছে হাসির পাত্র হচ্ছেন। এমনকি যে প্রেমিকের সঙ্গে তাঁর ব্রেকআপ হয়েছে সে যদি এগুলো দেখে তাহলে আপনার জন্য তার কোনো অনুভুতি তো কাজ করবেই না বরং মনে মনে সে ভাববে যা করেছে সে তা ভালো করেছে। তাই বিচ্ছেদের কথা জনে জনে বলে বেড়ানোর কিছু নেই। এটা খুবই ব্যক্তিগত একটা বিষয়। সবার কাছে এই অনুভূতি প্রকাশ না করাই ভালো।
  • ব্রেকআপের পর মেয়েরা নিজের ওপর ভরসা হারিয়ে ফেলে। তাদের আচরণেও অনেক পার্থক্য দেখা দেয়। অতিরিক্ত রাগ, কথায় কথায় বিরক্ত হওয়ার মতো কাজগুলো সে করতে আরম্ভ করে। এমন কিছু হলে মেডিটেশন করতে পারেন। ভালো লাগবে। না হলে আপনি ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পড়বেন। এভাবে চলতে থাকলে আপনি আর কারো ওপর বিশ্বাস রাখতে পারবেন না।

মেয়েদের কোন কথার কী মানে জেনে নিন

02:01 Posted by Mark Andrew Wilson No comments
‘কিছু না’, ‘যাই হোক’ অথবা ‘ঠিক আছে’ এ ধরনের কথা মেয়েদের মুখে হরহামেশাই শোনা যায়। কথাগুলো শুনলে প্রথমে বিষয়টি স্বাভাবিকই মনে হয়। কিন্তু সাবধান! মেয়েদের এ ধরনের কথার ফাঁদে ভুলেও পা দেবেন না। কারণ তারা যখন এমন কথা বলে তখন এর মানে মাঝে মাঝে উল্টোটাও হতে পারে। ভারতীয় দৈনিক টাইমস অব ইন্ডিয়ায় মেয়েদের কিছু কথার আসল মানে দেওয়া হয়েছে। 

আপনি চাইলে কথাগুলোর মানে জেনে নিতে পারেন, কাজে লাগবে :

  • কোনো একটি প্রশ্ন করার পর যখন আপনার প্রেমিকা বা স্ত্রী বলবে ‘কিছু না’ তখনই সাবধান হয়ে যান। তার গলার স্বর বোঝার চেষ্টা করুন। যদি সে বিরক্তির সুরে এমনটা বলে তাহলে কখনোই তাকে বিশ্বাস করবেন না। ধরে নেবেন এখানে নিশ্চয়ই কিছু আছে, বিপদ আসন্ন। আর যদি সে খুবই স্বাভাবিকভাবে কথাটি বলে এবং তার মুখে হাসি থাকে তাহলে নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন!
  • ‘আমাদের কথা বলা খুবই প্রয়োজন’ এ ধরনের কথা বলার মানেই হচ্ছে সে খুব ঠান্ডা মাথায় আপনাকে বিপদে ফেলছে। কথাটি হয়তো খুবই স্বাভাবিক স্বরে বলবে কিন্তু এর গভীরতা বিশাল। আপনি হয়তো কোনো ভুল করেছেন অথচ বুঝতে পারছেন না। তখনই সে এমন কথা বলবে। তাই এ ধরনের কথা শুনলে একটু সতর্ক থাকুন এবং বিষয়টি সামলানোর চেষ্টা করুন।
  • ‘যাই হোক’। মেয়েরা প্রায়ই এই কথাটি বলে থাকে। আর ছেলেরা তখনই ভুল করে, যখন এ ধরনের কথাকে স্বাভাবিকভাবে নেয়। এই কথার আসল মানে হলো, ‘যাই হোক, তুমি গোল্লায় যাও’। কী অবাক হচ্ছেন? এমন কথা নিশ্চয়ই বহুবার শুনেছেন?
  • যখন আপনার প্রেমিকা বা স্ত্রী উচ্ছ্বসিত হয়ে ‘ওয়াও’ বলবে, তখন খুব বেশি খুশি হবেন না। কারণ সে এখানে আপনার প্রশংসা করছে না বরং আপনি কতটা বোকা সেটা নিয়ে উপহাস করছে। আর যখন বলবে ‘রিয়েলি’, তখন বুঝে নেবেন আপনি যে বোকার মতো আচরণ করছেন সেটা সে আপনাকে বোঝানোর চেষ্টা করছে। তাই সব ধরনের প্রশংসা যে সত্যিকারের প্রশংসা না সেটা আগে থেকেই বুঝে নেওয়া ভালো।
  • ঝগড়ার সময় মেয়েরা চায় ছেলেরা তর্ক না করুক বা ‘সরি’ বলুক। কিন্তু যখন কোনো ছেলে এমনটা করে না, তখন মেয়েরা বাধ্য হয়ে বলে ‘ঠিক আছে’। সে আসলে এই বিষয়ে আর কথা বলতে চাচ্ছে না। অথচ অনেক ছেলেরাই এই কথার মানে জানে না। তাই তারা বারবারই ভুল করে আর বারবারই ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়ে।